
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর ইউক্রেনীয় সৈন্যদের পুরনো ফুটেজ নতুন করে অনলাইনে
- নিবন্ধটি এক বছর পুরনো
- প্রকাশিত 7 মার্চ 2022, 12:30
- 2 এক্স মিনিটে পড়ুন
- লেখক: এএফপি বাংলাদেশ, AFP থাইল্যান্ড
কপিরাইট © এএফপি ২০১৭-২০২৫। এই কন্টেন্টের যেকোন বানিজ্যিক ব্যবহারের জন্য অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
গত ১ মার্চ ভিডিও সম্বলিত ফেসবুকের একটি পোস্টের ক্যাপশন ছিল: "যুদ্ধ বোঝে না প্রেম! অথচ রাশিয়ার বিরুদ্ধে সেই 'যুদ্ধে' যাওয়ার আগে প্রেমিকাদের আলিঙ্গন ইউক্রেনের ফৌজিদের। কেউই জানেন না, সেটাই শেষ আলিঙ্গন কিনা।"

ক্লিপটিতে সামরিক পোশাক পরিহিত দুই ব্যক্তিকে দু'জন নারীকে আলিঙ্গন করতে দেখা যায়।
ভিডিওটি একইরকম দাবি সহকারে ফেসবুকে এখানে ও এখানে শেয়ার করা হয়।
তবে দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
যদিও ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী সকল ইউক্রেনীয় পুরুষকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে বলা হয়েছে, তবে ভিডিওটি ২০১৪ সালের রুশ-ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে বানানো একটি ডকুমেন্টারি থেকে নেওয়া।
রিভার্স ইমেজ সার্চে ভিডিওটির একটি স্থিরচিত্র চেক প্রজাতন্ত্র ডকুমেন্টারি ফিল্ম ইন্সটিটিউটের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটি মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে ডকুমেন্টারি নির্মাণে সহায়তা করে থাকে।
ছবিটি ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া 'দ্য ওয়ার ওব কাইমেরাস' নামক ডকুমেন্টারির কিছু স্থিরচিত্রের একটি গ্যালারিতে পাওয়া যায়।
ডকুমেন্টারিটিতে ২০১৪ সালে রাশিয়া কর্তৃক ক্রিমিয়া অধিকার পরবর্তী সংঘাতের সময় এর সহ-পরিচালক অ্যানাস্তাসিয়া স্টারোজিকায়া এবং তার প্রেমিক ইউক্রেনীয় সৈন্যের গল্প ফুটে উঠেছে।
বিভ্রান্তিকর ভিডিওটির একটি দৃশ্যের অনুরূপ একটি স্থিরচিত্র ওয়েবসাইটটির 'গ্যালারি' সেকশনে দেখতে পাওয়া যায়।

নীচে বিভ্রান্তিকর ফেসবুক পোস্টের ভিডিও (বামে) ও ডকুমেন্টারিটির একটি স্থিরচিত্রের (ডানে) তুলনামূলক স্ক্রিনশট দেওয়া হলো:

ভিডিওটির সম্পূর্ণ ভার্সন গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ইউটিউবে আপলোড করা হয়। বিভ্রান্তিকর ফেসবুক পোস্টের ক্লিপটি ২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড থেকে ৩ মিনিট ৬ সেকেন্ড পর্যন্ত সময়ে দেখা যাবে।
২০১৪ সালের ছবি
রিভার্স ইমেজ ও কীওয়ার্ড সার্চে ২০১৪ সালে ইউক্রেনীয় স্বেচ্ছাসেবক সৈন্যদের যুুদ্ধে যাওয়ার আগে তাদের সঙ্গিনীদেরকে বিদায় দেওয়ার অনুরূপ দৃশ্য সেবছরের জুন মাসের কিছু সংবাদ প্রতিবেদনেও পাওয়া যায়।
২০১৪ সালের ২৩ জুন প্রকাশিত এই ভিডিওর ২ মিনিট ১১ সেকেন্ডে বিভ্রান্তিকর ফেসবুক পোস্টের ভিডিওর এক নারীকে ভিন্ন কোণ থেকে দেখা যায়।
এএফপির ফটোগ্রাফারের তোলা এরকম আরেকটি ছবিতে ইউক্রেনীয় এক সৈন্যকে তার সঙ্গীকে বিদায় দিতে দেখা যায়।
এমন কোনো কন্টেন্ট আছে যা আপনি এএফপি’কে দিয়ে ফ্যাক্ট চেক করাতে চান?
আমাদের সাথে যোগাযোগ