
ইউক্রেনীয় দ্বীপ রক্ষায় চেষ্টারত সৈন্যরা নিহত হননি, আটক হয়েছেন
- নিবন্ধটি এক বছর পুরনো
- প্রকাশিত 23 মার্চ 2022, 13:47
- 1 এক্স মিনিটে পড়ুন
- লেখক: AFP ফ্রান্স, AFP কানাডা, এএফপি বাংলাদেশ
কপিরাইট © এএফপি ২০১৭-২০২৫। এই কন্টেন্টের যেকোন বানিজ্যিক ব্যবহারের জন্য অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারির একটি ফেসবুক পোস্টে লেখা রয়েছে, “মাত্র ১৩ জন ইউক্রেন সেনা #Zmeiny দ্বীপ রক্ষা করার জন্য রাতভর রাশিয়ান সেনাদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছে ; তবুও রাশিয়ার বিশাল বহরের কাছে এই ১৩ জন সেনা আত্মসমর্পণ করে নাই।”
“যাই হোক, অবশেষে ১৩ জনই নিহত আর দ্বীপটি এখন রাশিয়ার দখলে রয়েছে।”

( Mohammad MAZED)
ফেসবুক, টুইটার ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও একইরকম দাবি করা হয় ইউক্রেনের সরকারি সূত্রের বরাতে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের কোস্ট গার্ড জানায় যে কৃষ্ণ সাগরে অবস্থিত ছোট কিন্তু কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ন জেমিনি (স্নেইক) আইল্যান্ড রাশিয়ান যুদ্ধজাহাজের হামলার শিকার হয়েছে। পরবর্তীতে অপর বিবৃতিতে জানানো হয় যে, দ্বীপটি রুশ বাহিনী অধিকা করেছে এবং দ্বীপটি রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।
ইউক্রনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা অ্যান্টন গেরাশেঙ্কো এক ফেসবুক পোস্টে জানান, সীমান্তরক্ষার কাজে নিয়োজিত ১৩ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং পোস্টটির সাথে একটি অডিও রেকর্ডিং সংযুক্ত করেন। রেকর্ডিংটি অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কিও তার এক বক্তব্যে এই সেনা সদস্যদেনর প্রশংসা করেন এবং বলেন, তাঁরা বীরত্বের সাথে মৃত্যুবরণ করেছে।
তবে রাশিয়ান সংবাদ সংস্থা তাস জানায় রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র ইগোর কোনাশেঙ্কভ বলেছেন ইউক্রেনীয় বাহিনীর ৮২ সদস্য আত্নসমর্পন করেছেন।
গত ২৮ ফেব্র্র্রুয়ারি ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের নৌবাহিনী জানায়, সেনা সদস্যরা নিহত নয়, বরং আটক হয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা জেনে আনন্দিত যে, আমাদের ভাইয়েরা জীবিত আছেন এবং ভালো আছেন।”
এই বিবৃতি দেয়ার পরও বেশিরভাগ সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট আপডেট করা হয়নি এবং পুরনো ভুল তথ্যই ছড়ানো হচ্ছে।
এমন কোনো কন্টেন্ট আছে যা আপনি এএফপি’কে দিয়ে ফ্যাক্ট চেক করাতে চান?
আমাদের সাথে যোগাযোগ