ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া খামেনির মৃতদেহের ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
- প্রকাশিত 5 মার্চ 2026, 10:05
- 1 এক্স মিনিটে পড়ুন
- লেখক: Najmi Mamat, এএফপি মালয়েশিয়া, এএফপি বাংলাদেশ
- অনুবাদ এবং অভিযোজন Rasheek MUJIB
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন। কিন্তু ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃতদেহের সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ছবিটি কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা (আই) দিয়ে তৈরি। ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের দীর্ঘদিনের এই নেতার মৃত্যুর পর সামাজিক মাধ্যমে অপতথ্যের যে বন্যা শুরু হয়, তারই অংশ হিসেবে ছবিটি ছাড়ানো হয়েছে। তবে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইঙ্গিতবহনকারী কিছু দৃশ্যগত ত্রুটি রয়েছে এবং সনাক্তকারী টুল ছবিটেকে ‘সম্ভাব্য এআই দিয়ে তৈরি’ বলে চিহ্নিত করেছে।
ফেসবুকে ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ছড়ানো একটি পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, “ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে তোলা হচ্ছে আয়াতুল্লাহ আলি খোমেনির মৃতদেহ। আল্লাহ আপনাকে শহীদ হিসাবে কবুল করুন।”
পোস্টের সাথে যুক্ত একটি ছবিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা অবস্থায় এবং কিছু উদ্ধারকর্মীকে মৃতদেহ থেকে ধ্বংসস্তূপ সরাতে দেখা যায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খামেনির মৃত্যু খবর নিশ্চিত করার পর ছবিটি ফেসবুকে অন্যত্র ছড়ানো হয়(আর্কাইভ লিংক)।
ইরান রেভল্যুশনারি গার্ড উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটির বিরুদ্ধে ইতিহাসের “সবচেয়ে ভয়াবহ” অভিযান শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইতিমধ্যে এসব ঘাঁটি এক অভূতপূর্ব মারাত্মক ইরানি হামলার মুখোমুখী হতে শুরু করেছে(আর্কাইভ লিংক)।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করার পর নতুন করে হামলা শুরুর আগে ইরান প্রথমে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে ইসরায়েল-মার্কিন হামলার জবাব দেয়। এতে আবুধাবিতে কমপক্ষে দুইজন এবং তেল আবিবে একজন নিহত হয়।
কিন্তু নিহত হওয়ার পর খামেনির মৃতদেহের কোনও আনুষ্ঠানিক ছবি প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া অনলাইনে প্রচারিত ছবিটিকে সম্ভবত এআই দিয়ে তৈরি বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এআই ভিডিও ডিটেক্টর টুল হাইভ মডারেশনে ছবিটির বিশ্লেষণে দেখা যায, ছবিটি “এআই-দিয়ে তৈরি বা ডিপফেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”(আর্কাইভ লিংক)।
এআই-জেনারেটেড ছবিতে উদ্ধারকর্মীদের সাথে ইরানি সংবাদ সংস্থাগুলোর তোলা এবং এএফপির প্রচারিত উদ্ধার অভিযানের ছবিগুলো সম্পূর্ণ আলাদা।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত সম্পর্কিত অন্যান্য অপতথ্য এএফপি খণ্ডন করেছে এখানে।
কপিরাইট © এএফপি ২০১৭-২০২৬। এই কন্টেন্টের যেকোন বানিজ্যিক ব্যবহারের জন্য অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
এমন কোনো কন্টেন্ট আছে যা আপনি এএফপি’কে দিয়ে ফ্যাক্ট চেক করাতে চান?
আমাদের সাথে যোগাযোগ